রোজা রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে

- আপডেট সময় : ০১:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪
- / ১৯৭২ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে বিপাকে চরবাসী। চরের মানুষের একমাত্র উপার্জন মাছ ধরা। কিন্তু বর্তমানে নদীতে পানি না থাকায় তাদের জীবিকা নির্বাহই এখন কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। তার ওপর দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির কারণে এবারের রমজানে রোজা রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে বলে আশংকা তাদের।
কয়েক দফায় নদীভাঙ্গনের পর ভিটেমাটি হারিয়ে গাইবান্ধায় বাঁধের উপরে আশ্রয় হয়েছে নূর বানুর। সাত সদস্যের সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম স্বামীও অসুস্থ। নদীতে পানি না থাকায় মাছ শিকারেও সক্ষম হচ্ছে না ছেলেরা। ফলে রমজান মাস আসার আগেই নিম্ন আয়ের এই সংসারে চলছে টানাপোড়েন। আসন্ন রমজানে ভালো খাবার তো দূরের কথা, দূর্মূল্যের বাজারে নিয়মিত সেহরী ও ইফতার জোগাড় নিয়েই দুশ্চিন্তায় তারা।
শুধু নূর বানুর পরিবারই নয়, ফুলছড়ি উপজেলার বালাসিঘাট এলাকার জেলেপল্লীর চিত্র এরকমই। একেতো বেশীরভাগ মানুষের কাজের অভাব, তার ওপর মাঝেমধ্যে কাজ জুটলেও সামান্য আয়ে খাবার জোগাড়েই হিমিশম তারা। সরকারী-বেসরকারী কোনো সহযোগিতাও না জোটায় পরিবার-পরিজন নিয়ে আছেন বিপাকে।
এদিকে, দারিদ্র্য পীড়িত শহুরে পরিবারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে টিসিবি’র মাধ্যমে কমদামে কিছু পণ্য বিক্রি করার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
গাইবান্ধার তিন উপজেলায় ১শ’ ২০টি বিচ্ছিন্ন চর-দ্বীপচরে বাস করা ৫ লাখ মানুষের আয়ের উৎস দিনমজুরি ও মাছ ধরা।